fbpx

পেইজের অরগানিক রিচ বাড়ানোর কিছু টিপস

শতকরা ২০ ভাগ প্রমোশনাল এ্যাড ও ৮০ ভাগ সোশ্যাল পোস্ট করুন

পেইজ এ প্রতিদিন ই কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর পোস্ট করতে হবে যা আপনার পুরাতন ইউজার এবং নতুন ইউজারদের সহযোগীতা করবে। অবশ্যই যেন তা আপনার পেইজ এবং ব্যবসার সাথে মানানসই হয়। যেমন, আপনি যদি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস এর ব্যবসা করেন তবে কিছু প্রশ্ন উত্তর ধরনের পোস্ট করতে পারেন। এই ধরুন এটা কিভাবে, ওটা কিভাবে এগুলোর উত্তর দিয়ে রাখুন, যাতে করে আপনার ইউজার রা আপনার পেইজ এর মাঝে ঘুরাফেরা করে।

নকল লাইক কেনা থেকে বিরত থাকুন

ফেসবুকে হর হামেসাই দেখাযায় ৫ ডলার এ ২০/৩০ হাজরা লাইক এনে দিবে বা এরকম কিছু, সেই লাইকগুলা কিনলে আপনার পেজের লাভ হওয়ার কোন সম্ভবনা নাই। এই যে হাজার হাজার লাইক টাকা দিয়ে কিনলেন তারা কি আদৌ কখনো আপনার পেইজে আসবে, বরং এরকম অসংগতি পরিলক্ষিত হলে ফেসবুক আপনার পেইজ ডিজএবল করতে খুব একটা সময় নেবেনা।

আপনার উপস্থিতি তুলে ধরেন সৎ, নিষ্ঠাবান হিসেবে

“আমার পেজের লাইক আসছে কিন্তু রিচ কমছে কেন?” যারা ফেসবুক পেইজ নিয়ে ব্যবসা করেন তারা প্রায়সই এই প্রশ্নের সম্মুখিন হন। জি তাহলে অবশ্যই ভাববার প্রয়োজন আছে, এর মানে সহজ ভাবে যা বুঝায় আপনি ব্রান্ড ভ্যালু তৈরি তে ব্যার্থ হয়েছেন; সহজ ভাষায় বলতে গেলে আপনার সম্প্রতিক পোস্ট গুলো থেকে আপনার ইউজারদের কোন লাভ হচ্ছে না বা তারা এর থেকে ভাল কিছু অন্য কোথাও থেকে পাচ্ছে।

তাই আপনার প্রতিযোগী পেইজ গুলোর পোস্ট গুলোর দিকে নজর দিন হয়তো কারণ খোজে পাবেন। তাই বিভিন্ন সোশ্যাল পোস্টের মাধ্যমে আপনার ফলোয়ারদের উপকার করুন ও আস্থা অর্জন করুন, আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা তুলে ধরুন, প্রমান করুন আপনি আছেন, কেউ অর্ডার করলে প্রোডাক্ট না দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার লোক নন।

পেজের লাইকের জন্য ইনভাইট করুন

আমরা অনেক সময়ই আমাদের নিজেদের পরিচিতদের পেইজ লাইক এর জন্য ইনভাইট করতে চাইনা, কেমন একটা বিব্রত বিব্রত ভাব। মোটেই বিব্রত হওয়ার কিছু নেই কারন যারা আপনার প্রকৃত পরিচিত জন তারাই আপনার ভিত্তি টাকে মজবুত করে দিবে। পৃথিবীর সকল প্রান্তেই লোকলদের একটা আলাদা পরিচিতি ও শক্তি থাকে এটাকে ব্যাপক ভাবে কাজে লাগাতে পারেন, পরিচিতদের পেইজ লাইক এর জন্য ইনভাইট করে।

সময় বিশ্লেষণ

বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের অডিয়েন্সরা বা ফেসবুক ইউজার রা কখন বেশি সময় ফেসবুকে সময় কাটায় তা বিশ্লেষণ করে পোস্ট পাবলিশ করা উচিত। শহর অঞ্চল এর কথা ধরুন, এখানে প্রায় সকলেই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যাস্ত থাকে। কিন্তু মহিলারা বাসায় স্বামী-সন্তান কে অফিস ও স্কুলের জন্য ছেড়ে একটু হাফ ছাড়ার জন্য ফেসবুকে ঢু দেয়, তাহলে গৃহিণীদের জন্য উপযোগী সময় সকাল ১০ টা থেকে ১২টা। আবার যারা চাকুরী করেন তারা সারাদিন অফিসের ব্যাস্ততা ভুলে সন্ধ্যার পর ফেসবুক এ ঢু দেয়। আর যারা ঢাকায় থাকে তারা রাস্তায় জ্যামে বসে রীতিমত ফেসবুকে ঝরতুলে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। তবে বলা যায় চাকুরীজিবীদের টার্গেট করলে সময়টা সন্ধ্যার পরই ভাল। তবে সময় বিশ্লেষণের জন্য সবথেকে ভাল উপায় আপনার পেইজ এর ইনসাইট দেখুন কোন ধরনের পোস্ট গুলো কি ধরনের ইউজার এর কাছে কখন বেশি রিচ হয়।

প্রয়োজন অনুযায়ী পোস্ট দিন

দিনে ২০টা ২৫টা পোস্ট না করে, দিনে ১ টা থেকে ৩টা পোস্ট করা ভাল, তবে প্রয়োজন অনুযায়ী অধিক পোস্ট করা যেতে পারে।

ফেসবুক বিজনেস ওনারদের সাথে বন্ধুত্ব করুন

ধরাযাক আপনি গার্মেন্টস প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করছেন, অন্য দিকে আপনার বন্ধু হয়তো কম্পিউটার এক্সেসরিস নিয়ে কাজ করছে। যেহেতু, আপনারা কেউ কারো কম্পিটিটর নন, অথচ উভয়ের পেইজ এই হয়তো ভাল সংখ্যক ফলোয়ার আছে, সুতরাং আপনারা যদি নিজেদের পেইজ এ একে অন্যে পোস্ট শেয়ার বা ট্যাগ করেন তবে এমনিতেই অরগানিক রিচ বাড়ার সম্ভবনা থাকে। এ ক্ষেত্রে হয়তো পুরাতনদের সহযোগীতা পাওয়া বেশ কঠিন তবে নতুনদের সাথে বা বন্ধুদের সহযোগীতা পেতে পারেন।

Share This